আজিজুন নাহার আঁখি

কচি কাচা মুখগুলো সব পাঠে ছিলো মন
হটাৎ করে বিমানের ধাক্কায় লাগলো আগুন
শ্রেণিকক্ষে যারা ছিলো দগ্ধ হলো পুড়ে
দৌড়াদৌড়ি শুরু হলো সারা ক্যাম্পাস জুড়ে।

পুড়ছে দেহ পুড়ছে মাটি পুড়ছে দেয়াল ঘর
দগ্ধ দেহ যায়না চেনা আপন কি না পর
যুদ্ধ বিমান উড়িয়েছিলো পাইলট সাগর
নিজের জীবন দিয়েছে সে কাঁদিয়ে অন্তর।

ঝলসে গেছে ছোট্ট ছোট্ট কচি হাত-পা মুখ
বাবা মায়ের করুণ আর্তি বাড়িয়েছে দু:খ
হাসপাতালে ছুটছে স্বজন প্রিয়জনের খোঁজে
স্বজন হারানোর ব্যথা তারাই শুধু বুঝে।

সান্ত্বনা দেবার ভাষা আজ হারিয়েছে সবে
হে দয়াময় কেমনে তারা শান্ত হয়ে রবে?
বাবা মায়ের কান্নার রোল বাজছে অবিরত
কি করে পোড়া দেহের সেরে যাবে সব ক্ষত?

নিখোঁজ লিস্টে যুক্ত হচ্ছে ছোটো বড়ো সবাই
কেউ পাচ্ছে অক্ষত কেউ বলছে পাই নাই
রবের কাছে প্রার্থনা করি রক্ষা করো প্রভু
এমন ঘটনা দেখতে না হয় যেনো কভু।

দগ্ধ হয়ে ভর্তি যারা হাসপাতালে আছে শুয়ে
সবাই মিলে প্রার্থনা করি জায়নামাজে মাথা নুয়ে
সারাদেশে শোকের মাতম শান্তি নাই কারো মনে
আজকের এই শোকের কথা গাঁথা রবে জনমনে।

রাষ্ট্রীয় শোক পালন হবে সারাদেশ জুড়ে
যারা আজ দগ্ধ হলো তারা রবে দূরে
এমন দিন চাই না প্রভু চাই না ঝরুক প্রাণ
বাবা মায়ের কোল থেকে না হোক বলিদান।

Leave a Comment