আজিজুন নাহার আঁখি

সাদা কাগজ যতো দামী হোক না কেন তার মধ্যে যদি কলমের আচঁড় না পরে, যদি কাগজে কিছু লেখা না থাকে তাহলে সে কাগজ মূল্যহীন।মানুষের হৃদয় হচ্ছে সাদা কাগজের মতো আর মস্তিষ্ক হচ্ছে কলমের কালি। যদি হৃদয় সাদা কাগজের মতো সাদাই থাকে তাহলে হৃদয়ও মূল্যহীন। তাই হৃদয়কে মস্তিষ্কের কালির আচঁড়ে ভরিয়ে তোলো।তবে খেয়াল রেখো হৃদয়কে সাজাতে বিবেককে মাথায় রাখতে হবে তাহলেই জীবন হবে মধুময়।

  • জীবন বহতা নদীর মতো কখনো ভরা বর্ষার জলে টইটম্বুর কখনো চৈত্রের খড়ায় জলশূন্য। নদীতে জোয়ার ভাটা হয়, একূল ভাঙে ওকূল গড়ে।মানুষের জীবনেও একই রূপ দেখা যায়। এই যে নদীর ভাঙাগড়া চলে তারপরও নদী থেমে থাকে না। তাই আমাদেরকেও জীবনের ভাঙাগড়ায় থেমে থাকলে চলবে না।সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস রেখে জীবনে চলার পথের বাধা পেরোনোর জন্য আত্মবিশ্বাস অটুট রাখতে হবে।মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য এটাকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।
  • বর্তমানে আমরা যে যার জায়গায় এতো ব্যস্ত থাকি যে মাঝে মাঝে সৌজন্যতা দেখাতেও কার্পণ্য করি।যে তোমাকে পছন্দ করে তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী তাকে ব্যস্ততা দেখিও না। সে তোমাকে অনেক বেশি পছন্দ করে বলেই তোমাকে স্মরণ করে।যে তোমার ব্যস্ততা জেনেও তোমার সাথে কথা বলতে চায় তাকে ব্যস্ততা দেখিয়ে কষ্ট দিও না।এমন দিন আসতে পারে যেদিন তুমি তাকে চাইবে কিন্তু সে তোমার ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে।
  • আলো আঁধারের সংমিশ্রণে মানুষের জীবন। কারোর জীবনে অর্থ সম্পদে ভরপুর কারোর জীবনে অভাবে নিমজ্জিত।তোমার ধনসম্পদ আভিজাত্য নিয়ে কখনো অহংকার করোনা।সৃষ্টি কর্তা তোমাকে দু’হাত ভরে দিয়েছে সেজন্য শোকরানা আদায় করো। কারণ আল্লাহ পাক উত্তম ফয়সালা কারী।আজকে তোমার সব আছে কালকে নাও থাকতে পারে।আভিজাত্য আর সম্পদ নিয়ে অহংকারী হয়ে অন্যকে কষ্ট দিও না।আজ যার কিছু নাই কালকে তাকে অঢেল দিতে পারেন।কোনো কিছু অর্জন করার চেয়ে রক্ষা করি কঠিন।তাই অহংকার করে নিজের পতন ডেকো না।
  • পথ চলতে হটাৎ করে পায়ে কাঁটা ফুঁটলে দেরি না করে তখনই কাঁটা বের করতে হয় আর এই কাঁটা বের করতে যদি একটু রক্তাক্ত হতে হয় তবুও তখনই বের করুন। কারণ সময় মতো কাঁটা বের না করলে তা পচন ধরবে এবং আরও বেশি যন্ত্রণা দিবে।আমাদের জীবনে কিছু সম্পর্ক কাঁটার মতো বিধে তাই কিছুটা ক্ষত হলেও সেই সম্পর্ক ছিন্ন করাই শ্রেয় কারণ কাঁটার মতো পচন ধরে সারাটি জীবন যন্ত্রণা দিবে।
  • প্রতিটি কথা ও কাজে ইতিবাচক হই, নেতিবাচক কথা ও কাজ আপনার চলার গতি মন্থর করে দিবে।সূর্যের আলোর মতো সততার আলোও সবাইকে উজ্জীবিত করে তাই কথায় ও কাজে সৎ থাকি।
  • কোনো কিছু নিয়ে অহংকার করোনা, দম্ভ অহমিকা বিসর্জন দাও। আর ক্ষমতার জৌলুশ দেখিয়ে কাউকে হেয় করোনা। আমরা সবাই এই পৃথিবীতে ক্ষণিকের অতিথি। আজকে যার মনে কষ্ট দিলে এমনো হতে পারে আগামীকাল সে থাকবেনা যে তুমি তার কাছে ক্ষমা চাইতে পারবে। আবার তুমিও চলে যেতে পারো তখন তোমার এই দম্ভ,অহমিকা,ক্ষমতার জৌলুশ কিছুই তোমাকে আটকাতে পারবেনা। তাই আসো দম্ভ অহমিকা বিসর্জন দেই।
  • সংসারের কাজে নিয়মিত ব্যবহার্য জিনিস পুরনো হলেও যত্ন করে রাখলে তার সৌন্দর্য হারায় না তেমনি মানুষ তার সম্পর্ককে যত্নে আগলে রাখলে সেটার সৌন্দর্যও হারায় না। তাই ঘরের আসবাবপত্র,পোশাক, তৈজসপত্রের মতো পারিবারিক সম্পর্ক যত্ন করি, সুন্দর রাখি, ভালোবাসি।
  • যে নিজে থেকে হারিয়ে যায় তাকে হাজারো মানুষ খোঁজ করেও সন্ধান পায়না। আর যে পথ ভুলে হারিয়ে যায় তাকে কেউ না কেউ খুঁজে পায়।
  • যদি তুমি সুস্থ থাকতে চাও তাহলে প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাও। ভোরের স্নিগ্ধতা কোমলতার ছোঁয়ায় নিজেকে পরিশুদ্ধ রাখো। প্রকৃতি তার সবটুকু ঢেলে দেয় বিনিময়ে সে অবহেলা পায়। নিজেকে সুস্থ রাখি প্রকৃতিকে আগলে থাকি।
  • জীবনে প্রায়োরিটি লিস্টে থাকা মানুষের কাছ থেকেই অবহেলা পেতে হয়। ভালোবাসা আর অবহেলা যেনো মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। তুমি ভালোবেসেছো মানে তার কাছে অবহেলার পাত্র হবে এটা জানার পরেও আমরা ভালোবাসি পাশে থাকি।আসলে যাকে ভালোবাসি সেই বুঝে না, তার কাছে ভালোবাসার প্রতিদান পাওয়ার জন্য কেউ ভালোবাসে না কিন্তু তারপরও সে অবহেলা করবে। সত্যিই এই অবহেলা শব্দটা কেউ মেনে নিতে পারেনা শুধু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে মেনে নেয়।
  • আমরা নিজেদের প্রয়োজনে ঘরে জানালা দরজা রাখি যাতে আলো বাতাস আসা যাওয়া করতে পারে কিন্তু ঘরের চালা কিন্তু ফুঁটো রাখিনা। কারণ চালা ফুঁটো রাখলে সেখান দিয়ে শুধু আলোবাতাস নয় বৃষ্টির পানিও পড়ে যা আমাদের জন্য অস্বস্তিকর । তাইতো কোনো কারণে চালা ছিদ্র হলে তাড়াতাড়ি ছিদ্রপথ বন্ধ করি। মানুষের জীবনেও কিছু সম্পর্ক ঘরের চালার মতো থাকে যা টের পাওয়ার সাথে সাথেই আটকে দেয়া উচিত নইলে ছিদ্রিত চালা দিয়ে যেভাবে বৃষ্টির পানি আমাদের কষ্ট দেয় সেভাবে ঐসব মানুষও কষ্ট দিবে।
  • “যতোক্ষণ শ্বাস ততোক্ষণ আশ” জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মানুষ আশা নিয়ে বাঁচে। স্বপ্নই মানুষকে বাঁচতে শেখায় আশা মানুষকে স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে নিয়ে যায়। আসুন সেই স্বপ্ন দেখি যা পূরণে সৎ পথে এগিয়ে যাওয়া যাবে, সেই স্বপ্ন যা সবাইকে ভালো রাখার জন্য আত্মত্যাগী করে।
  • যদি সময় সঞ্চয় করা যেতো তাহলে আমি আমার জীবনের ভালো সময় সঞ্চয় করতাম।আর কখনো খারাপ সময় এলে জমানো সময় কাজে লাগাতাম।
  • জীবনে ভালোবাসার লোকের অভাব হয়না কিন্তু যত্নে মায়ায় আগলে রাখে কয়জন? মুখে ভালোবাসি তো সহজেই বলা যায় কিন্তু যত্ন করা, আগলে রাখা,পাশে থাকা, বিপদে সাহস দেয়া সবাই পারেনা তাই মুখে ভালোবাসি না বলে যত্নে মায়ায় আগলে রাখার চেষ্টা করুন এটাই প্রকৃত ভালোবাসা।
  • ভালোবাসা এক অদৃশ্য শক্তি যা দূরে থেকেও কাছে থাকা যায়। এমনই এক হৃদয়ের টান যা কি না বাহ্যিকতায় বিশ্বাসী নয়। অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে এক অনুভূতির নাম ভালোবাসা। তাইতো সবাইকে ভালোবাসা যায় না, আর যাকে ভালোবাসা যায় তাকে ছেড়ে আসা গেলেও ভুলে থাকা যায়না।
  • হৃদয়ের আকর্ষণ যতো বেশি হয় মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক ততো মজবুত হয়। হৃদয়ের বন্ধন দৃঢ় করতে পাশে থাকা জরুরি নয় দূর থেকেও কাছে থাকা যায়। একটু খানি যত্ন, অগাধ বিশ্বাস, একটু খানি ভরসা, আস্থাশীল হওয়া, বিপদে সাহস দেয়ার মাধ্যমে আমরা মানবিক সম্পর্ক গড়ে তুলে হৃদয়ের সম্পর্ক অটুট রাখতে পারি।
  • আধুনিক খোলামেলা দামী চাকচিক্যময় পোশাক পরলেই স্মার্টনেস ফুটে ওঠে না প্রকৃত স্মার্টনেস ফুটে ওঠে কথায়,আচরণে, শিষ্টাচারে,বিনয়ে,সততায়, মানবিকতায়। তাই আসুন নিজেকে স্মার্ট ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরতে অর্থের জৌলুশে দামী খোলামেলা পোশাকে নয় মার্জিত পোশাক পরি কথায় আচরণে শিষ্টাচার বজায় রাখি।পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু রেখে যাই।
  • ঘুমন্ত মানুষকে ঘুম থেকে জাগানো সহজ কিন্তু যে মানুষ জেগে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো সম্ভব নয়।
  • স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পানি খেতে কার না ভালো লাগে কিন্তু এই প্রিয় গ্লাস যদি ভেঙে যায় তখন তার জায়গা হয় ডাস্টবিনে। কারণ প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলে সে আর প্রিয় নাই। মানুষের সম্পর্কে বিশ্বাসটাও স্বচ্ছ কাচের মতো যা ভেঙে গেলে আবর্জনার স্তুপেই জমা হয়। তাই বিশ্বাসের মর্যাদা দিন, প্রিয়জন হবার জন্য আগে প্রয়োজন হউন, প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে প্রিয় তালিকা থেকে নামটা কিন্তু বাদ যাবে।
  • মানুষ তার আপন মানুষের উপর জোর খাটাতে চায় সে ভাবে যে, এই মানুষকে আমি যাই বলি না কেন, যে-রকম ব্যবহার করিনা কেন সে কখনো আমাকে ছেড়ে যাবেনা। আবার মাঝে মাঝে অবহেলা করেও দূরে সরিয়ে দেয় কিন্তু সে একবারও ভাবে না তার মুখের এক চিলতে হাসি,ছোট্ট একটা শব্দ, সামান্য খোঁজ নেয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। আসলেই আমরা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝিনা।যে তোমাকে প্রকৃত ভালোবাসে সে কখনো বিনিময়ে কিছু চায়না শুধু তাকে অবমূল্যায়ন করলে সে কষ্ট পায় ঠিকই কিন্তু তোমার ভালোর জন্য গোপনে ঠিকই প্রার্থনা করে যায়।
  • জীবনটা পদ্ম পাতায় বৃষ্টির জলের মতো একটু খানি হাওয়া এলেই গড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি পদ্ম পাতা যেনো একেকটা জীবনের প্রতিচ্ছবি। এই ঠুনকো জীবন নিয়ে আমাদের কতো দম্ভ কতো বাহাদুরি। এতো অল্প আয়ুকাল যে মানুষ কতো কিছু করতে চেয়েও পারেনা।একটা চাহিদা পূরণ হলে আমরা নতুন স্বপ্ন দেখি নতুন আশার জাল বুনি, অনেক সময় আশার আলোয় পরিপূর্ণ হই অনেক সময় হতাশার ডুবে যাই। আসলেই জীবন এক অদ্ভুত পরিক্রমা যার পুরোটা জুরে শুধু রহস্য আর রহস্য। কোন সিকোয়েন্সের পরে কোনো সিকোয়েন্স আসবে তা কিন্তু আমাদের হাতে নাই। তাই আসুন হিংসা,নিন্দা,অহংকার,মিথ্যচার,পরচর্চা একেবারে ঝেরে ফেলে দেই।একতায় থাকি,সততায় বাঁচি, পরিশুদ্ধ রাখি চারিপাশ।
  • উপহাস করে সেই ব্যক্তি যার ভেতরে দুর্বলতা আছে। আপনাকে যে উপহাস করছে আপনি নিশ্চিত থাকুন আপনার মতো সে ভালো কিছু পারবে না জেনেই নিজের দুর্বলতাকে আড়াল করতে সে এই উপহাসের মতো খারাপ কাজ করে। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,যেখানে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে আর সেখানে আমরা মানুষ হয়ে মানুষকে উপহাস করে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে নিজেদেরকে ছোটো করছি।আসুন উপহাস না করে কারোর কাজের মূল্যায়ন করি, নিজের দুর্বলতা দূর করে যোগ্য হই,মনুষ্যত্ব বিকিয়ে না দিয়ে মানব কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি।
  • মানুষের শিষ্টাচার বোধ,বিনয়,ভদ্রতা,পরিচ্ছন্নতা , বাচনভঙ্গি, শ্রদ্ধাশীল,নমনীয়তা, পরিপাটি, অমায়িকতা শেখার জন্য বড়ো বড়ো ডিগ্রির প্রয়োজন হয়না। মানুষ এসব শিক্ষা বেশিরভাগই পরিবার থেকে শিখে আর কিছুটা শিখে তার বন্ধু, শিক্ষক ও পরিস্থিতি থেকে। তাই কারোর সাথে কথা বলতে অবশ্যই আমাদের উপরের জিনিস মাথায় রাখতে হবে। আপনি বা আমি যতোই উচ্চ পদে অবস্থান করি না কেন সবার আগে আমাদের পরিচয় আমরা মানুষ। বয়সে বড়ো হলেই যে সে সব জানে তা কিন্তু নয়।তাই আসুন আমরা সকল ক্ষেত্রে শিষ্টাচার বজায় রাখি, বিনয়ী হই, ভাষা ব্যবহারে সচেতন হই, নিজেকে সমাজের দর্পন তৈরি করি।
  • পরগাছা অন্য কোন গাছকে আঁকড়ে ধরে বাঁচে,আর তার এই বেঁচে থাকার জন্য সে অন্য গাছের ক্ষতি হোক সেটা ভাবেই না। নিজেকে রক্ষা করতে সে বড়ো কোনো বৃক্ষের গায়ে আষ্টেপৃষ্টে লেগে থাকে। যতোই লেগে থাকুক না কেন আমরা কিন্তু মাঝে মাঝে এসব পরগাছাকে উপড়ে ফেলে দিয়ে বড়ো গাছকে রক্ষা করি।কিছু কিছু মানুষও আছে যারা পরগাছার মতো আমার আপনার জীবনে লেগে থেকে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন সেইসব পরগাছাকে উপড়ে ফেলাই শ্রেয়। তাই আমরা নিজের ভালোর জন্য পরগাছার মতো অন্য কোনো বৃক্ষকে আঁকড়ে না ধরি। ক্ষুদ্র হলেও নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার আনন্দ অনেক অনেক বেশি। আসুন পরগাছা না হয়ে ছোটো বৃক্ষ হয়েই বাঁচি।
  • কাউকে মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসো কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়। যেখানে সম্মান নাই সেখানে ভালোবাসা বলতে কিছুই নাই। নিজের আমিত্বকে তখনই বিসর্জন দেয়া যায় যখন অন্য কেউ তোমাকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে। কেউ যদি তোমাকে যত্ন করে,সম্মান করে,মূল্যায়ন করে তার জন্য নিজেকে বিলীন করে দিতেই পারো। আসো একে অপরকে সম্মান করি,শ্রদ্ধা করি ভালোবেসে আগলে রাখি।
  • কারোর প্রায়োরিটি লিস্টে থাকা সৌভাগ্যের,কিন্তু তার প্রয়োজনের তালিকায় থাকতেই পারো। কারোর পছন্দের তালিকায় যুক্ত হবার পর যদি সেখান থেকে বাদ পরে যাও তার চেয়ে প্রয়োজন হয়ে থাকাই শ্রেয়। সময়ে অসময়ে তার প্রয়োজনে তোমাকে কাছে পেতে পেতে একদিন হয়তো প্রিয়জন হতেও পারো। তবে আমার মতে প্রিয়জনের চেয়ে প্রয়োজন হওয়াতেই প্রশান্তি বেশি। তাই কেউ তোমাকে প্রিয়জন মনে না করুক সেটা নিয়ে বিচলিত হইও না বরং তুমি তোমার সর্বোচ্চ দিয়ে তার প্রয়োজনে পাশে থাকো। মনে রেখো মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।

Leave a Comment