পথ চলতে কেউ পাশে নেই
হাতটি ধরে পাশাপাশি কেউ হাঁটে না,
হোচট খেয়ে পরে গেলে
কেউ তো এসে হাত বাঁড়ায় না।
বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না
বুকের ভেতর চাপা কষ্ট
কেউ দেখে না কেউ বুঝে না,
কেউ তো এসে বুকে জড়ায় না
কেন হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না?
দহন জ্বালায় কেউ জ্বলে না
কেউ তো এসে সিক্ত করে না?
নয়ন পানে কেউ তাকায় না
চোখের তারায় যে স্বপ্ন আঁকা
সেই স্বপ্নে কেউ ধরা দেয় না
যার স্বপ্নে বিভোর থাকি
কেন সে কাছে আসে না?
চোখ যে মনের কথা বলে
সেই ভাষা তো কেউ বোঝে না।
এখন তো আর শ্রাবণ ধারায় মন ভিজে না
অশ্রুজলে ভিজে হৃদয়,
নয়ন কোণে জলের ধারা
কেউ দেখে না কেউ বোঝে না,
কেউ তো এসে চোখ মুছোয় না।
বৃষ্টি জলে ভিজলে পরে
মাথার উপর কেউ তো ছাতা ধরে না
কেউ তো এসে ভেজা তনু
আলতো করে মুছিয়ে দেয় না।
শীতলতা দূর করার জন্যে
আলিঙ্গনে কেউ বাঁধে না।
তৃষিত হৃদয়ের হাহাকারে
কেউ তো এসে তৃষ্ণা মেটায় না
ক্ষুধা পেয়ে মুখ শুকোলে
কেউ তো মুখে খাবার তুলে না।
বাড়ির বাইরে থাকলে পরে
ফেরার জন্য কেউ অপেক্ষা করে না
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরলে
বিশ্রাম নিতে কেউ বলে না।
আমার সখের ফুল বাগানে
কেউ তো এসে যতন করে না,
সযতনে ফুলের মালা গেঁথে
কেউ তো এসে গলে পরায় না।
বসন্তের নানান রঙিন সাজে
আগের মতো মন সাজে না,
সোহাগ ভরে কেউ তো এসে
খোঁপায় ফুল গুজে না।
হিম শীতলে থাকলে পরে
কেউ তো ভালোবাসার চাদরে
আপন করে কাছে টানে না,
কেন কারো বুকে মাথা রেখে
হৃদয়ের সব ব্যথা ঘুচে না?
হৃদ নদীর অথৈ জলে
সুখের তরী কেন ভাসে না?
কেউ তো এসে নোঙর ফেলে না
ভালোবাসার পানসী কেন তীরে ভিরে না?
কার জন্যে ব্যকুল এ মন?
কার আশায় দিন কাটে না,রাত কাটে না?
কেন দুচোখে ঘুম আসে না?
তাই তো ঘুমের ঘোরে স্বপন দেখি না
কার বিহনে হৃদয় কাঁদে?
কেউ দেখে না,কেউ বুঝে না?






