কোনো অসহায় মানুষের দুর্বল জায়গায় আঘাত করোনা।বরং তার দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দাও।এমন হতে পারে তোমার সহযোগী মনোভাবে সে নিজেকে শক্তিশালী মনে করতে পারে। তার ক্রান্তিলগ্নে তাকে মানসিক সাপোর্ট দিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে তুমিই হতে পারো তার ভরসার পাত্র।কারোর সংকট কালে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করে বিদ্রুপ না করে তাকে আশ্বাস দাও।সে-ও যে ভালো কিছু করতে পারে সেটা তাকে মনে করিয়ে দাও,তার মনে আশার বীজ বপন করো।এমন কোনো কথা বলো যে সেটা শুনে মনোবল ফিরে পাবে আর নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাবে।তাই কারোর হতাশাকে না বাড়িয়ে ভরসার পাত্র হয়ে তাকে ভালোবাসো তাকে আগলে রাখো।
- দুর্বলকে কখনো তাচ্ছিল্য করোনা বা তার উপর আধিপত্য বিস্তার করোনা।বরং দুর্বলের সহযোগী হয়ে তাকে সামনের দিকে এগিয়ে নাও।মনে রেখো যে দুর্বল সেও স্বপ্ন দেখে সবল হবার। তাকে উৎসাহ দিয়ে অনুপ্রেরণা দিয়ে সবল করলে তোমার ক্ষতি হবেনা।আত্মপ্রতিষ্ঠা ক্ষণিকের তাই দুর্বল সবল মিলে পরিশ্রম করো দেখবে সফলতা আসবে।
- আলো আঁধারের সংমিশ্রণে মানুষের জীবন। কারোর জীবনে অর্থ সম্পদে ভরপুর কারোর জীবনে অভাবে নিমজ্জিত।তোমার ধনসম্পদ আভিজাত্য নিয়ে কখনো অহংকার করোনা।সৃষ্টি কর্তা তোমাকে দু’হাত ভরে দিয়েছে সেজন্য শোকরানা আদায় করো। কারণ আল্লাহ পাক উত্তম ফয়সালা কারী।আজকে তোমার সব আছে কালকে নাও থাকতে পারে।আভিজাত্য আর সম্পদ নিয়ে অহংকারী হয়ে অন্যকে কষ্ট দিও না।আজ যার কিছু নাই কালকে তাকে অঢেল দিতে পারেন।কোনো কিছু অর্জন করার চেয়ে রক্ষা করি কঠিন।তাই অহংকার করে নিজের পতন ডেকো না।
- যাকে ভালোবাসো তাকে কখনো অবহেলা করো না। অবহেলায় দুরত্ব বাড়ে। বিশ্বাসে আর সম্মানে ভালোবাসা টিকে থাকে।ভালোবাসার মানুষকে যদি কখনো ভালো না লাগে তাহলে তাকে ছেড়ে চলে যাও কিন্তু জোর করে কাছে থেকে অবহেলায় বুঝিও না এখন আর তাকে ভালো লাগছ না।ভালো নাই বাসলে কিন্তু তাকে অবহেলা করা মানে অসম্মান করা।তাই কাউকে অবহেলা নয় ভালোবাসো।
- অতিথি আল্লাহর দেয়া রহমত ও বরকত নিয়ে আসে। তাই বাড়িতে অতিথি এলে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানান। ঘরে যে খাবারই থাকুক না কেন তা হাসিমুখে পরিবেশন করুন। আর যদি দেবার মতো কোনো খাবার না থাকে তাহলে মুখে এক চিলতে হাসি রেখে পরিষ্কার গ্লাসে পানি পান করান। কখনো অতিথিকে এড়িয়ে যাবেন না বা মন খারাপ করবেন না। রিজিকের মালিক আল্লাহ পাক তাই আপনার তৈরি খাবারে তার রিজিক লেখা থাকলে আপনার কম পড়বেনা। আল্লাহ পাক অতিথির কারণেই আপনার বরকত দিবেন ইনশাআল্লাহ।
- তুমি কাউকে সব জায়গায় স্পেশাল ভাবে উপস্থাপন করার পরেও সে যদি তোমাকে প্রায়োরিটি না দেয় বুঝে নিও তার কাছে তোমার মূল্য সাধারণ সবার মতো।
- ঈদুল আজহা ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবব্ধ হবার দিন,আত্মত্যাগে নিমজ্জিত হয়ে যাওয়ার দিন। আজহা মানে ভোরের ঝলমলে আলো হয়ে মনের অন্ধকার দূর করে দেয়া।রাতের আঁধার কাটিয়ে নতুন সকালের শুভ বার্তা নিয়ে আসে।আসুন মনের পশুত্বকে বর্জন করি একে অপরের সুখে দু:খে পাশে থাকি।সকলের সুখ,শান্তি,সমৃদ্ধি আর কল্যাণ কামনা করি।
- সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুচির পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু সেই পরিবর্তন যেনো অন্যের ক্ষতি না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যদি মানবের কল্যাণে না আসতে পারি তাহলে জীবনটাই বৃথা।
- ইগো মানুষের মধ্যে দুরত্ব বাড়ায়। পারস্পরিক সম্পর্কে মান অভিমান স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু আমরা যখন সেই অভিমানকে ইগোতে পরিণত করি তখনই সম্পর্কে দুরত্ব বাড়ে। তাই ইগো নয় আসুন নিজেদের পারস্পরিক সম্পর্ক টেকসই রাখি।
- কাউকে পাখির মতো ভালোবেসে খাঁচায় বন্দী করোনা তুমি যতোই আদর ভালোবাসা দাও না কেন সুযোগ পেলেই সে উড়ে যাবে,আবার কাউকে ফুলের মতো যত্ন করো না তুমি যতোই যত্ন করো না কেন সে কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পরে ঝরে যাবে,তুমি বরং মাটির মতো আঁকড়ে ধরো দেখবে সেও তোমাকে আগলে রাখবে। তাই কাউকে ফুল,পাখি নয় মাটির মতো ভালোবাসা দাও সে তোমাকে ছেড়ে যাবে না।
- ক্ষণিকের পৃথিবীতে মানুষ এতো মায়ায় জড়িয়ে পড়ে বলেই মায়ার বাঁধন ছিড়ে গেলে নিজেকে নি:স্ব মনে হয়, মনে হয় এই বুঝি সবশেষ হয়ে গেল।
- যদি সৎ থাকো তাহলে পিছন থেকে আঘাত করো না সামনে থেকে লড়াই করো, পিছন থেকে আঘাত করা মানে তোমার সৎ সাহস নাই। হ্যাঁ পিছনে থেকে আঘাত করলে তুমি হয়তো ক্ষতি করতে পারবে কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে স্বচ্ছ থাকবে তো? আর যাকে আঘাত করছো সে একবার যদি উঠে দাঁড়াতে পারে তখন তুমি তোমার মুখ লুকানোর জায়গাও পাবে না।
- পৃথিবীতে কারোর শূন্যস্থান কিছুতেই পূরণ হয় না। আমাদের জীবনে একেকজন মানুষের গুরুত্ব একেক মতো। কেউ কারোর বিকল্প হতে পারে না। আপনি যতোই ঢেলে সাজাতে চান না কেন মানুষ তার নিজস্বতা থেকে বের হতে পারে না।
- “যতো বেশি কথা ততো বেশি ভুল” এই কথার উপর ভিত্তি করে আমরা কি কথা বলবো না? অবশ্যই আমরা কথা বলবো তবে আমাদের কথা যেনো ইতিবাচকতা থাকে। এমন কোনো শব্দ উচ্চারণ করবো না যাতে অন্যের হৃদয়ে আঘাত লাগে। সর্বাবস্থায় আমরা বিনয়,শিষ্টাচার, অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবো।
- মানুষ তার সব ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিন্তু মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। সবাই বলে আকাশের রঙ আর মানুষের মন সব সময় পরিবর্তনশীল। সত্যিই তাই মানুষের মন কারণে অকারণে পরিবর্তন হয়। কিন্তু সেই পরিবর্তন সীমার মধ্যে রেখে চলতে পারাটাই জীবনের প্রশান্তি।
- প্রকৃতিকে আঘাত করলে সে ভেঙে না পড়ে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ফিরে আসে। ছবিতে যে পেঁপেঁ গাছ দেখতে পাচ্ছেন চারা অবস্থায় কেউ তার মাথা ভেঙে দিয়েছিল আর সেই কিন্তু থেমে থাকেনি বরং সে তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। আপনাকে অনেকেই আঘাত করতে পারে সেই আঘাতে থেমে থাকা মানে জীবন থেকে পালিয়ে বেড়ানো। তাই আসুন প্রকৃতির কাছ থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে নিজেকে আরও শক্তিশালী করি, এগিয়ে যাই আলোর দিকে।
- তোমার জন্য কেউ যদি একটু উপকৃত হয় সেটাই হবে তোমার পরম পাওয়া। একটু খেয়াল করে দেখো একটু সহানুভূতি, একটু যত্ন,একটু ভালোবাসা পেলে তুমি কতোটা আনন্দ পাও। ঠিক তুমিও যখন কারোর জন্য কিছু করো তখন তোমার মনের ভেতর আলো জ্বলে উঠে। শুধু অর্থসম্পদ দিয়ে নয় একটু সহানুভূতি, যত্ন, ভালোবাসা দিয়ে তুমিও হতে পারো কারোর হৃদয়ের মানুষ, আপন মানুষ, কাছের মানুষ।
- স্বার্থ ছাড়া কেউ কিছু করেনা হয় অর্থের স্বার্থ নয়তো কোনো কাজের স্বার্থ। একমাত্র মা-ই নি:স্বার্থে সন্তানের পাশে থাকে। তবে যাদের নৈতিক শিক্ষা আছে তারা স্বার্থহীন কাজ করে থাকে। আসুন আমরা মানবিক হই, সবার পাশে ভালোবেসে আগলে রই।
- যে তোমাকে হাসাতে পারে সে তোমাকে ভালোও রাখতে পারে, যে তোমার অশ্রু মুছিয়ে দিতে পারে সে তোমার ভরসাও হতে পারে। যে তোমার কণ্ঠস্বর শুনেই বুঝতে পারে তুমি ভালো আছো কি না আসলে সেই তোমাকে আগলে রাখতে পারে। যে তোমার আপদে বিপদে সাহস যোগান দেয়, মনোবল বাড়াতে বলে “আমি আছি তো” আসলে সেই তোমার কাছের মানুষ।
- পৃথিবীতে কারোর শূন্যস্থান কিছুতেই পূরণ হয় না। আমাদের জীবনে একেকজন মানুষের গুরুত্ব একেক মতো। কেউ কারোর বিকল্প হতে পারে না। আপনি যতোই ঢেলে সাজাতে চান না কেন মানুষ তার নিজস্বতা থেকে বের হতে পারে না।
- কেউ জয়ের উল্লাসে খুশিতে ভরপুর থাকে আবার কেউ জিতিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে।কেউ আছে নিজে পরাজিত হয়ে অন্যকে জেতার পথ দেখায়, আর যে বিজয়ীর বেশে আনন্দ উপভোগ করে সে হয়তো জানেই না তার এই জয়ের জন্যই একজন ইচ্ছে করে হেরেছে। নিজে জয়ী হবার আনন্দের চেয়ে অন্যকে জিতিয়ে দেবার আনন্দ অনেক অনেক গুণ বেশি। মাঝে মাঝে হেরে যাবার মধ্যেও অনেক সুখ আছে।
- “সম্মান দিলে সম্মান মিলে” এই কথাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কাউকে সম্মান করলে অবশ্যই আপনি সম্মানিত হবেন কিন্তু সেই সম্মান পাওয়ার পরে আপনি দাম্ভিকতা দেখালে, আধিপত্য বিস্তার করলে একদিন দেখবেন আপনাকে আর সম্মান করবে না। তাই নিজের সম্মান বজায় রাখতে কাউকে ছোটো না করে, আধিপত্য বিস্তার না করে বিনয়ী হউন।আপনার বিনয়ী আচরণ আপনার কথাবার্তায় আপনার সম্মান নির্ভর করে। তাই আসুন সবার সাথে ভালো ব্যবহার করি, বিনয়ী হই,সম্মান করি,সম্মানিত হই,সম্মান ধরে রেখে নিজের ব্যক্তিত্বের উন্মেষ ঘটাই।
- দুধের রঙ সাদা আর দুধকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সাদাই দেখায়। তবে দুধে যদি অন্য কোনো কিছু মেশানো হয় তাহলে রঙটা চেঞ্জ হবার সাথে সাথে স্বাদটাও চেঞ্জ হয়ে যায়। আমরা দুধের মতো তরল কোনো জিনিস না তাইতো আমাদের বদলে যাওয়া সহজ নয়। মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা বদলে ফেলা যায়না হয়তো কারোর সান্নিধ্যে সে নিজেকে বদলাতে চেষ্টা করে। কিন্তু সেই বদলে যাওয়ায় তার স্বকিয়তা কিন্তু নি:শেষ হয়না সুযোগ পেলেই সে আগের রূপে ফিরে আসে। কেউ যদি নিজেকে ঢেলে সাজাতে চায় তাহলে তাকে নিজ থেকেই তার অভ্যাস বদলাতে হবে কারোর কথায় বা প্ররোচনায় বদলানোটা ক্ষণিকের আর নিজের ভেতর থেকে বদলে যাওয়াটা আগামী দিনের জন্য শুভ হবে তখনই যখন সেটা ইতিবাচক হবে।
- চোখের জল তো যে কেউ ঝরাতে পারে কিন্তু চোখের জল মুছে দেবার মানুষের সংখ্যা অতি অল্প। আমরা জেনে বা না জেনে অনেকের কান্নার কারণ হই কিন্তু ভালোবেসে কাছে টানি না। এক ফোঁটা অশ্রুর অনেক মূল্য তাই কারোর কান্নার কারণ না হয়ে আসুন হাসির খোড়াক হই, কাউকে অবহেলা না করে প্রেরণা দেই।
- গন্তব্য দূরে বা কাছে যাই হোক না কেন সেই দুরত্বের পথ যদি চেনা থাকে তাহলে অনায়সে দুরত্ব অতিক্রম করে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। আর অচেনা পথ হলে বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করে আমরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আমাদের জীবনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে সম্পর্ক হয় সেই মানুষের সম্পর্কে যদি আমরা না জানি না চিনি তাহলে নানা সময়ে নানান সমস্যায় পড়তে হয়। অচেনা পথ অতিক্রম করা যতোটা কঠিন তার চেয়ে বেশি কঠিন হচ্ছে অচেনা মানুষের সাথে চলা।
- মানুষ শুধু যেখানে অর্থসম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি, খ্যাতি-যশ আছে সেদিকে হন্যে হয়ে দৌড়াচ্ছে। এসবের চেয়েও সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানসিক শান্তি। আমরা সেই মানুষকে গুরুত্ব দেই যে আমাদের জন্য মুখে মুখে ভালোবাসার কথা বলে নিজের স্বার্থ আদায় করে আর নিরবে নিভৃতে যে মানুষগুলো আমাদের জন্য চোখের জল ফেলে, কোনো কিছু প্রত্যাশা করেনা বরং স্রষ্টার কাছে মঙ্গল কামনা করে। আমরা এতোটাই ব্যস্ত থাকি যে নিরবে ভালোবেসে যাওয়া মানুষের খোঁজ তো নেই-ই না বরং তাদের অবহেলা করি। আমরা বুঝেও না বোঝার ভান করে চলি এটাই বুঝি বাস্তবতা।
- *আর নয় অপচয়,মূল্যবান থাক সকল সময়*✔️✔️অপচয় করা পাপ জেনেও আমরা এই কাজটাই বেশি করি। খাবারের অপচয় তেমন ভাবে না করলেও পানির অপচয় করতেই থাকি,অপচয় করি বিদ্যুতের, অপচয় করি পোশাকের, অপচয় করি প্রসাধনীর। এইতো গেলো নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রীর কথা এছাড়া সবচেয়ে বেশি অপচয় করি সময়ের। ✔️✔️👉🏼👉🏼আমরা যথাসময়ে যথা কাজ না করে সময়ের অপব্যবহার করি অপচয় করি মুল্যবান মুহূর্ত। আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ অপচয় হচ্ছে মানুষের শব্দচয়ন।আমরা যেখানে যা বলা দরকার তার চেয়ে বেশি বলি,প্রাসঙ্গিক কথা না বলে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলি, যার উদ্দেশ্যে আমার মূল্যবান কথা ও সময় ব্যয় করি সে এটাকে অবহেলা করে। আমরা শুনি কম বলি বেশি আর এভাবেই কথার অপচয় করি।👈🏼👈🏼❤️❤️আসুন আমরা সব কাজে মিতব্যয়ী হই,কথার অপচয় রোধ করে সময়ের মূল্য দেই।❤️❤️
- কথায় আছে কাক ময়ূরের পেখম লাগালেও কাক ময়ূর হয়না কাক কাকই থাকে। তেমনি কিছু মানুষ যতোই নিজেকে উদার, ভালো, বিনয়ীর ভাব ধরুক না কেন সত্যিকারে তার মধ্যে এসব না থাকলে কোনো না কোনো সময় তার কথায় বা কাজে আসল রূপ বের হয়ে আসে। আমরা কথায় বিশ্বাসী না হয়ে আসুন কাজে বিশ্বাসী হই। নিজের ভেতর জমে থাকা সব সংকীর্ণতা, দুর্বলতা, অহমিকা, দম্ভ,হিংসা, পরচর্চা,নেতিবাচক সমালোচনা পরিহার করি। আমরা কাকের মতো ময়ূরপুচ্ছ না লাগিয়ে নিজেরাই ময়ূরের মতো সৌন্দর্য বর্ধন করি।
- ❤️কোনো মানুষের আন্তরিকতা, সহজ সরলতাকে দুর্বলতা ভাবা ঠিক নয়। আসলে মিশুক স্বভাবের বলে তারা সবার সাথে মিলেমিশে থাকে ।তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করে সবার সংকট মুহূর্তে পাশে থাকার। আর এই পাশে থাকাকে তার দুর্বলতা তার ব্যক্তিত্বহীনতা ভাবা ঠিক নয়। ❤️যে তোমার পাশে থাকতে পারে সে তোমার অবহেলার কারণে যোজন যোজন দূরেও যেতে পারে। তাই কারোর আন্তরিকতাকে এড়িয়ে না গিয়ে তার সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখো। সম্পর্ক ভালো রাখায় তোমার লাভ না হোক, কোনো ক্ষতি হবে না।❤️ সহজ সরল মানুষ গুলো সহজেই আপন করে নেয়,অল্পতেই তারা খুশি হয় আবার অল্পতেই কষ্ট পায় আর একটুখানি ভালো ব্যবহারে কষ্ট ভুলেও যায়। কিন্তু অবহেলায় তারা নিজেকে গুটিয়ে নিলে আর আগের অবস্থায় ফিরে না।






