আজিজুন নাহার আঁখি

কারোর কাছে কিছু প্রত্যাশা করতে নেই কারণ পাওয়ার আশা করা মানেই কষ্ট পাওয়া।মনে রেখো নিজের জন্য নয় পরের জন্য কিছু করতে পারাতেই আনন্দ।তাই প্রাপ্তির প্রত্যাশা ছেড়ে দিয়ে অন্যের ভালোর জন্যে এগিয়ে যাও।মানুষের কাছ থেকে কিছু না পেলেও আল্লাহ পাক হতাশ করবেন না।

*আকাশে হাজারো মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায় কিন্তু সব মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরে না, গাছে গাছে নানান রঙের ফুল ফুটে কিন্তু সব ফুলে সুরভি ছড়ায় না, ছোটো বড়ো অনেক বৃক্ষের ফুল হয় আবার ফুল থেকে ফলও হয় কিন্তু সব ফল খাওয়া যায় না। নানান প্রজাতির পাখি উড়ে বেড়ায় কিন্তু সব পাখি মধুর সুরে ডাকে না।
প্রকৃতির মাঝেও কিছু অসম্পূর্ণতা বিদ্যমান যা কোনোভাবেই পরিপূর্ণ করা যাবে না। আর আমরা মানুষ, আমাদের তো অসম্পূর্ণ কাজের ইয়ত্তা নাই। আবার ইচ্ছে থাকা সত্বেও অনেক কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে যেতে হয়।

*গাছের ফাঁকে রোদের ঝিলিক একটু করে উঁকি দিচ্ছে আর মেঘ এসে বারবার আড়ালে ঢেকে দিচ্ছে। মেঘ রোদ্দুরের এটা খুনসুটি নয় এটা তাদের মেলবন্ধনের প্রতিচ্ছবি। নদীর জলে মেঘের ছায়ার সাথে গাছের ছায়াও মিলেমিশে একাকার। ইচ্ছে করে মেঘ হয়ে আকাশ ভেসে বেড়াই আর যখন মন চাইবে তখনই বাদল ধারায় প্রকৃতির তৃষ্ণা মেটাতে পারবো।

গ্রামের মেঠোপথে যারা হেঁটেছেন তারা একবারের জন্য হলেও সেই ছায়াঘেরা মেঠোপথে ফিরে যেতে চাইবেন। যেথায় ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে কোনো মোটরযান চলতো না,শব্দদূষণ হতো না। আঁকাবাঁকা মেঠোপথের ধারে দেশীয় ফলের গাছে গাছে ফল ধরতো।সারি সারি খেজুর,সুপারি,নারিকেল আর তালগাছ সৌন্দর্য বর্ধন করতো কিন্তু এখন গ্রামের রাস্তাও পিচঢালা।যাতায়াতে তখন কষ্ট হলেও সে পথ যেনো জীবনের সাথে মিলেমিশে একাকার ছিলো। আজ আধুনিকায়ন হয়েছে কিন্তু প্রাণটা মরে গেছে। আগের সেই একতাও আর দেখা যায় না, ব্যস্ততায় মোড়ানো সবার জীবন। আমি আমার শৈশব কৈশোর যৌবনের অধিকাংশ সময় গ্রামের ধুলোবালিতে হেঁটেছি। এখন জীবন জীবিকার প্রয়োজনে শহুরে জীবনে থাকলেও মনটা সেই গ্রামেই ছুটে যায়। ইচ্ছে করে আবার সেই মেঠোপথ ধরে ফিরে যাই ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে আমাদের গ্রামে।গ্রামের মেঠোপথে যারা হেঁটেছেন তারা একবারের জন্য হলেও সেই ছায়াঘেরা মেঠোপথে ফিরে যেতে চাইবেন। যেথায় ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে কোনো মোটরযান চলতো না,শব্দদূষণ হতো না। আঁকাবাঁকা মেঠোপথের ধারে দেশীয় ফলের গাছে গাছে ফল ধরতো।সারি সারি খেজুর,সুপারি,নারিকেল আর তালগাছ সৌন্দর্য বর্ধন করতো কিন্তু এখন গ্রামের রাস্তাও পিচঢালা।যাতায়াতে তখন কষ্ট হলেও সে পথ যেনো জীবনের সাথে মিলেমিশে একাকার ছিলো। আজ আধুনিকায়ন হয়েছে কিন্তু প্রাণটা মরে গেছে। আগের সেই একতাও আর দেখা যায় না, ব্যস্ততায় মোড়ানো সবার জীবন। আমি আমার শৈশব কৈশোর যৌবনের অধিকাংশ সময় গ্রামের ধুলোবালিতে হেঁটেছি। এখন জীবন জীবিকার প্রয়োজনে শহুরে জীবনে থাকলেও মনটা সেই গ্রামেই ছুটে যায়। ইচ্ছে করে আবার সেই মেঠোপথ ধরে ফিরে যাই ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে আমাদের গ্রামে।

Leave a Comment