হেমন্ত বাবু ডাক দিয়েছে
দেখতে হিমেল ভোর,
তার ডাকে ভোর বেলাতে
খুলে দিলাম দোর।
ঘরের বাহির যখন আমি
বাড়িয়ে দিলাম পা,
বিন্দু বিন্দু শিশির কণা
ভিজিয়ে দিলো গা।
কুয়াশা ঘেরা মেঠো পথে
নাই আজ কোলাহল,
মাঝে মাঝে পাখির দল
শুধু করছে শোরগোল।
নদীর ধারের কাশফুলেরা
চুপটি করে আছে,
আলতো করে ছুঁয়ে দিলেই
ডাকে আরো কাছে।
কুয়াশার আড়ালে সূর্য মামা
দিচ্ছে উঁকিঝুঁকি,
তাই দেখে নদীর জল
তাকায় উর্ধ্বমুখী।
নদীর জলে সূর্য কিরণ
ঝিকিমিকি করে,
হিমেল ভোরের রূপ দেখে
প্রাণটা গেলো ভরে।
মাঝ নদীতে ছলাৎ ছলাৎ
মধুর সুর বাজে,
জেলে ভাই মশগুল আছে
মাছ ধরার কাজে।
প্রকৃতির এই রূপ মাধুরীতে
জুড়ালো দুই নয়ন,
সুধাময়ী রূপের কথন
কাব্যে হলো চয়ন।






