নদীর কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার জল কেনো করছে কলকল?
নদী আমায় শুধাইলো তখন
তোমার আঁখি কেনো করছে ছলছল?
আকাশের কাছে শুধাই যখন,
তোমার নীল আকাশে কোনো কালো মেঘ?
আকাশ আমায় শুধোয় তখন,
তোমার মনে কেনো এতো উদ্বেগ?
সাগরের কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার ঢেউয়ে কেনো এতো দোলা?
সাগর আমায় শুধাইলো তখন,
আমার পানে কি দেখছো হয়ে আত্মভোলা?
পাহাড়ের কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার কেনো এতো শীতল ছায়া?
পাহাড় আমায় শুধাইলো তখন,
তোমার নয়নে কেনো এতো স্নিগ্ধ মায়া?
ঝর্ণার কাছে শুধািলাম যখন,
কেনো বইছে তোমার ধারা?
ঝর্ণা আমায় শুধাইলো তখন,
তুমি ছুটছো কোথায় হয়ে আত্মহারা?
চাঁদের কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার জোছনায় কেনো এতো আলো?
চাঁদ আমায় শুধাইলো তখন,
তুমি কেনো সবাইকে বাসছো ভালো?
ফুলের কাছে শুধাইলাম যখন,
কেনো পরছো তুমি ঝরে ঝরে?
ফুল আমায় শুধাইলো তখন,
তোমার নয়নে কেনো অশ্রু ঝরে পরে?
পাখির কাছে শুধাইলাম যখন,
করুন সুরে কেনো গাইছো তুমি গান?
পাখি আমায় শুধাইলো তখন,
কার জন্যে তোমার মন করছে আনচান?
বৃষ্টির কাছে শুধাইলাম যখন,
তুমি কেনো পরছো ঝমঝমে?
বৃষ্টি আমায় শুধাইলো তখন,
তোমার চাঁদবদনী আজ কেনো থমথমে?
বাতাসের কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার কেনো এতো ঝড়ো হাওয়া?
বাতাস আমায় শুধাইলো তখন,
তোমার মাঝে কিসের এতো না পাওয়া?
পথের কাছে শুধাইলাম যখন,
তোমার কোথায় চলার শেষ?
পথ আমায় শুধাইলো তখন,
কোথায় তুমি ছুটছো অবিশেষ।






