ট্রেন লাইনে হাঁটতে গিয়ে হটাৎ মৃত্তিকার পা কেটে পরে গেলে সাইফুল মৃত্তিকাকে সযতনে টেনে তুলে।মৃত্তিকা পায়ের ব্যথায় ঠিকমতো দাঁড়াতেই পারছে না।এই কুয়াশার ভেতর কনকনে শীতে এমনিই হাত-পা জমে গেছে তার উপর পা কেটে গেছে। সাইফুল একহাতে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে আরেক হাত দিয়ে মৃত্তিকাকে ধরে ধরে ট্রেন লাইনের অদূরে একটা ছোট্ট চায়ের দোকানের বেঞ্চিতে বসায়।
ইস আপনাকে অনেক কষ্ট দিলাম।
আর কি বলছেন এসব? আপনি না হয়ে অন্য কেউ হলেও আমি একই কাজ করতাম। টিস্যু দিয়ে মৃত্তিকার পা মুছে দিতে গেলে মৃত্তিকা বাঁধা দেয়। আরে কি করছেন?
আলাপচারিতায় দুজনের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হলো। আচ্ছা মৃত্তিকা আপনি তো পাহারতলী যাবেন? চলুন আপনাকে সিএনজিতে তুলে দেই। যদি কিছু মনে না করেন তাহলে আপনিও চলুন। আসলে আমি তো এখানে নতুন তাই ——।
বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আসবেন কিন্তু।
মৃত্তিকা ফ্রেস হয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে ফোন হাতে নিয়ে সাইফুলকে কল করতে বসার ঘরে রিং বেজে উঠে।
ইস সাইফুল সাহেব ফোন ফেলে গেছেন? হটাৎ করে একটা মেসেজ কিরে মেয়েটার খোঁজ পেলি?আজ রাতেই কাজটা শেষ করে চলে আসবি।মেয়েটার ছবি পাঠালাম।নিজের ছবি দেখে মৃত্তিকা চমকে উঠে। আরেকটা মেসেজ মৃত্যু নিশ্চিত করে আমায় জানাবি। মৃত্তিকা ভয়ে কুঁকড়ে যায়।
সাইফুলের সাথে এতোক্ষণ থাকলো কিন্তু উনাকে তো খারাপ মনে হয়নি। কে আমাকে মারতে চায়? তার মানে কি শিহাব?
না আর কিচ্ছু ভাবতে পারছে না। এমন সময় মোবাইলে রিং বেজে উঠে।
আচ্ছা মৃত্তিকা পায়ের ব্যথা কমেছে? সরি দেরি করে ফোন দিলাম।
সাইফুলের মোবাইল ফেলে যাবার ঘটনা কি বাস্তব না স্বপ্ন?






