চারিদিকে সারি সারি লাশের স্তুপ বেড়েই চলছে। কি এক ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ববাসী আতংকিত। একদিকে মৃত্যুর মিছিল আরেক দিকে অভাব আর অভাব।
মফস্বল শহরের কাছেই ছোট্ট একটা পোশাক কারখানায় রফিক দারোয়ানের কাজ করে। সংসারে স্ত্রী রুনা, দুই মেয়ে স্বর্ণা, রূপা আর একমাত্র ছেলে হীরা। ছোট্ট একটা ঘরে তাদের বসবাস। মাসিক বেতনে কোনোমতে সংসার চলে। স্বর্ণা একটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ছেলে হীরার বয়স এবার ৫ পরেছে। সামনে জানুয়ারিতে স্কুলে ভর্তি করতে হবে। আর ছোটো মেয়ে রূপার মাত্র ছয় মাস। রফিককে মালিক মামুন সাহেব খুব স্নেহ করেন তাই বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়ার টাকাও দেন। কিন্তু হটাৎ করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে কারখানা বন্ধ। রফিকের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট দেখা যায়। কারখানা যদি একেবারে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সে কিভাবে সংসার চালাবে? গ্রামের বাড়িতে ছোট্ট একটা ঘর ছাড়াতো আর কিছু নাই। একদিকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে চারিদিকে মৃত্যুর খবরে আতংকিত আরেক দিকে চাকরি হারানোর দুশ্চিন্তা গ্রাস করছে।
রফিক গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে এসব কথা ভাবছিল ঠিক তখন কারাখানার ম্যানেজার জাহিদ সাহেব এসে জানান যে তাদের মালিক মামুন সাহেব সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত। তাদের অবস্থা খুবই আশংকাজনক। যে কোনো সময় খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারে। কথাটা শুনে রফিকের দুশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে মালিকের প্রাণ ভিক্ষা চায়। এক সপ্তাহ করোনার সাথে যুদ্ধ করতে করতে মামুন সাহেব মারা যান আর তার দুই দিন পরে তার স্ত্রীও মারা যান। বেঁচে যায় তাদের একমাত্র সন্তান। মা বাবা হারিয়ে মেয়েটা যেনো বোবা হয়ে গেছে। কারখানা খোলার মতো কেউ নাই। তাই কারখানা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
রফিক কাজ হারিয়ে পাগলপ্রায়। সে এখন স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে কি করবে ভেবে পায় না। বাড়ি গিয়ে স্ত্রী রুনাকে বলে চলো আমরা গ্রামে ফিরে যাই।এখানে থাকলে বাচ্চাদের নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।
রফিক আর তার স্ত্রী মিলে ঘরের ভিতর যেসব জিনিস আছে তা গুছিয়ে নেয়। বড় মেয়ে স্বর্ণা বাবার গলা জড়িয়ে ধরে বলে সে এখানে থাকবে। তার স্কুল, সহপাঠী, খেলার সাথী সবাইকে ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই কান্নাকাটি শুরু করে দেয়।
রুনা মেয়েকে বুঝাতে থাকে আর রফিক একটা ভ্যানগাড়ি নিয়ে আসে। লকডাউন চলছে এই অবস্থায় বেশি টাকা দিয়ে ভ্যান ভাড়া করতে হয় কেননা শহরের রাস্তা দিয়ে তো যাওয়া যাবে না। অনেক জায়গা ঘুরে ফিরে পৌঁছাতে হবে। ভ্যানে সব উঠিয়ে তার উপর স্বর্না আর হীরাকে বসিয়ে ছোটো মেয়ে রূপাকে নিয়ে স্বামীস্ত্রী হাঁটতে শুরু করে। এক ঘন্টার পথ তিন ঘন্টায় শেষ করে তারা বাড়ি পৌঁছে যায়।
বাড়িতে ফিরে রফিকের শান্তি লাগছে না। এইতো গতবছর তার মা জীবিত ছিলো কিন্তু এখন মা নেই তাই সব ফাঁকা লাগছে। রুনা ঘর গোছানোর কাজে লেগে যায়। উঠানে স্বর্ণা ভাই বোনকে নিয়ে খেলতে থাকে। আসার সময় ঘরে যে চাল ডাল ছিলো তা দিয়েই রুনা রান্না করে।
রাতে ঘুমানোর আগে রুনা রফিককে বলে আগামীকাল বাজার না করলে কি রান্না করব?
রফিক বলে ঠিক আছে দেখি কি করা যায়?
সকালে ঘুম থেকে উঠেই রফিক গাঁয়ের পথ দিয়ে বাজারে যায় আর বাজার থেকে চাল, ডাল আর আলু কিনে আনে। একদিকে পকেটে টাকা নাই, কাজ নাই আরেকদিকে জিনিসপত্রের অনেক দাম। বাজার থেকে ফেরার পথে জয়নালের সাথে রফিক তার দুশ্চিন্তার কথা বলে। জয়নাল ভাড়ায় রিক্সা চালায়। দিনশেষে ১০০ টাকা মালিককে জমা দিতে হয় আর বাড়তি যা থাকে তা নিজের। তবে এখন তো লকডাউন তাই কামাই রোজগার তেমন হয় না। তবু্ও তো একবেলা খেয়ে একবেলা না খেয়ে বেঁচে আছি। তুই যদি রিক্সা চালাইতে চাস তাহলে আমার সাথে মালিকের কাছে যাইতে পারস। ঠিক আছে রে আমারে নিয়া যাইস ভাই। আমি কাজ না করলে বউ পোলাপান নিয়া না খাইয়া মরুম। আইচ্ছা কাইল ভোরে তোরে ডাক দিমুনি।
ভোর বেলা জয়নালের সাথে রিক্সার মালিকের কাছে গিয়া একটা রিক্সা ভাড়া নেয়। জয়নাল আর রফিক একসাথে রিক্সা নিয়া বের হয়।
লকডাউন চলছে তাই কোন কোন রাস্তায় গেলে সমস্যা হবে না তা জয়নাল বুঝিয়ে দেয়।সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রিক্সা চালিয়ে ৩০০ টাকা রোজগার করে । মালিককে ১০০ টাকা জমা দিয়ে বাকি টাকা দিয়ে বাজার করে আনে। এভাবেই এক মাস চলে গেল। প্রতিদিন যা আয় হয় তা দিয়ে কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে সংসার চলছে। করোনার থাবায় তাদের গ্রামেরও কয়েকজনের প্রাণ চলে গেছে। রুনা তার স্বামীকে নিয়ে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা করে। যাওয়ার আগে মুখের মাস্ক দিয়ে দেয়। রফিক বউকে বলে আরে আমাগো মরণ করোনায় না হলেও ভাতের অভাব হইব। যাকগে দেও মাস্ক দেও।
রফিক আজ হাইওয়ে রাস্তায় রিক্সা নিয়া যায়। লকডাউনে বাস বন্ধ, শহরের কারখানা বন্ধ তাই আজ ভালোই রোজগার হয়েছে। বাজার থেকে মাছ মাংস কিনে আনে। বড় মেয়ে স্বর্ণা কয়দিন ধরে বলছিল মাছ দিয়া ভাত খাবে। আর হীরা সে তো মাংস পছন্দ করে তাই ছেলের মেয়ের জন্য আজ সব কিনে আনছে।
আজ অনেকদিন পরে বাচ্চাদের তৃপ্তি সহকারে খাইতে দেখে রফিকের খুব ভালো লাগে।
এভাবে পরপর ৩/৪ দিন হাইওয়ে রাস্তায় রিক্সা চালিয়ে ভালোই রোজগার করে।
বাড়ি ফেরার পরে হীরা বাবার কোলে গিয়ে বসে আর স্বর্না বাবার গা ঘেসে দাঁড়ায়। স্বর্ণা বলে বাবা ও বাবা সামনে তো ঈদ। আমাগো নতুন জামাকাপড় কিনা দিবা না? হ্যাঁ মা অবশ্যই কিনা দিমু। কও মা তোমার কোন রঙের জামা লাগব?
বাবা আমারে লাল ফ্রক দিবা। ভাইরে নীল শার্ট
আর রূপারে হলুদ রঙের জামা কিনা দিবা।
আচ্ছা মা আইজ ফেরার পথে কিনা আনুম।
খুব ভোরে বাসি ভাত তরকারি দিয়ে ভাত খেয়ে রিক্সা নিয়া বের হয়ে যায়। আইজ আর ছোটো রাস্তায় যাত্রী উঠায় নাই। হাইওয়ে রাস্তায় যাত্রী নিয়ে যায়। ঘন্টা খানেক পরে একটা স্টেশনের কাছে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে বাজরে ঢুকে বাচ্চাদের পোশাক কিনতে। সব দোকান তালাবদ্ধ দেখে মনটা খারাপ হয়ে যায়। ফিরে আসবে ঠিক তখন একজন বয়স্ক লোক পিছন থেকে বলে কিছু কিনবা নাকি? রফিক পিছনে তাকিয়ে বলে হুম। ঠিক আছে আমার সাথে আসো। দোকানের শার্টার খুলে ভেতরে ঢুকিয়ে আবার বন্ধ করে দেয়। রফিক তার বড় মেয়ের কথামতো লাল ফ্রক, ছেলের জন্য নীল রঙের শার্ট আর ছোটো মেয়ের জন্য হলুদ রঙের জামা কিনে।
আজ রফিকের মনে খুশির জোয়ার বয়ে চলছে। হাসিমুখে দোকান থেকে বের হয়ে জামা কাপড়ের ব্যাগ রিক্সার হাতলে ঝুলিয়ে রিক্সা চালাতে থাকে। পথিমধ্যে এক দম্পতি রফিককে ইশারায় ডাকে। রফিক কাছে যাওয়াতে বলে তারা ঢাকা থেকে ভেঙে ভেঙে এসেছে। এখন আরও অনেকটা পথ যেতে হবে। তাই রফিককে অনুরোধ করে তাদেরকে পৌঁছে দেবার জন্য। রফিক প্রথমে রাজি হচ্ছিল না কিন্তু ভাড়া বেশি দিবে বলে রাজি হয়। যাত্রীদের নিয়ে রিক্সা চালানো শুরু করে।তাদের নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছতে পৌঁছতে বেলা ৩ টা বেজে যায়। রিক্সা চালিয়ে রফিক আজ ক্লান্ত হয়ে যায়। মনে মনে ভাবতে থাকে আজ আর না এখন বাড়ি ফিরতে পারলেই শান্তি।
রাস্তায় দুই একটা রিক্সা ভ্যান ছাড়া আর তেমন কোনো যানবাহন দেখা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে পুলিশের গাড়ি আর ঔষধের কাভার্ড ভ্যান চলতে দেখা যাচ্ছে। রফিক যাত্রী পায়নি তাই খালি রিক্সা চালিয়ে বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্যাডেল করতে করতে অনেকটা পথ চলে এসেছে। আজ বাড়ি পৌঁছাতে রাত হয়ে যাবে কেননা এখন অনেকটা পথ বাকি আছে। হাইওয়ে রাস্তায় সে দ্রুতই রিক্সা চালাচ্ছে। এখন রাস্তা প্রায় ফাঁকা, মাঝে মাঝে দুই একটা রিক্সা দেখা যাচ্ছে। রফিক আপনমনে ছুটে চলছে বাড়ির উদ্দেশ্যে আর বারবার রিক্সার হাতলে ঝুলানো ব্যাগের দিকে তাকিয়ে খুশি হচ্ছে। এমন সময় হটাৎ করে পিছন থেকে আসা দ্রুতগামী একটা কাভার্ড ভ্যান রফিকের রিক্সায় ধাক্কা দিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। আর রফিক আর রিক্সা থেকে ছিটকে গিয়ে রাস্তায় পরে মাথায় ফেটে রক্ত বের হয়।
কিছুক্ষণ পরে পুলিশের টহল গাড়ি রাস্তায় পরে থাকা রফিকের কাছে গিয়ে দেখে রক্তে ভেজা রফিকের নিথর দেহ পরে আছে। ধরাধরি করে রফিককে পুলিশের গাড়িতে উঠিয়ে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার সব পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। রফিকের কাছে এমন কিছুই ছিলো না যা দেখে তার পরিচয় পাওয়া যাবে। তাই বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে লাশ কাটা ঘরে তার জায়গা হয়। রিক্সার হাতলে ঝুলানো বাচ্চাদের পোশাকের ব্যাগ একমাত্র আলামত পাওয়া যায়। ব্যাগটাও রক্তে মাখামাখি হয়ে সব পোশাকে দাগ লেগে গেছে।
এদিকে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হয়ে যায় কিন্তু রফিক বাড়ি ফেরেনি বলে স্ত্রী রুনার টেনশন বাড়তে থাকে। বাচ্চারাও বাবার জন্য অপেক্ষা করতে করতে না খেয়েই ঘুমিয়ে পরে। রুনার চোখে ঘুম নাই তার মনে নানা দুশ্চিন্তা গ্রাস করছে। গ্রামের যাদের সাথে রফিকের উঠাবসা তাদের সবার কাছেই রুনা স্বামীর খোঁজ নিয়ে কোনো খবর না পেয়ে আরও দুশিন্তা করতে থাকে। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে রুনা তার ছোটো মেয়েকে কোলে নিয়ে তার বাবার বাড়ি যায়। রুনার বাবাও রিক্সা চালায় তাই বাবার কাছে কোনো খবর আছে কিনা তা জনার জন্য ছুটে আসে। রুনার বাবা গফুর মিয়া ত মেয়ের কথায় হতম্বব হয়ে পরে। মেয়েকে বলে তুমি বাড়ি যাও আমি খোঁজ করে দেখি জামাই কোথায় আছে? এদিকে রুনার মা অন্যের বাড়িতে ঝি এর কাজ করে তাই মায়ের সাথে দেখা না করেই বাড়ির দিকে চলে যায়। এদিকে স্বর্ণা আর রূপা ঘুম থেকে জেগে মাকে না পেয়ে উঠানে বসে কান্না করছে। রুনার পা যেনো থমকে যাচ্ছে , হাঁপাতে হাঁপাতে বাড়ির উঠানে সে ধপাস করে বসে পরে। দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে স্বামীর জন্য দোয়া করতে থাকে।
এদিকে গফুর মিয়া রিক্সা নিয়ে বের হয় জামাইয়ের খোঁজ করতে। আজ কোনো যাত্রী উঠায় না। একদিকে লকডাউন চলছে সব কিছু বন্ধ, সব রাস্তায় চলাচল করা যায় না। দুই একজনের কাছে জামাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করেও কোনো হদিস পায় না। এভাবে করতে করতে বেলা ১২টা বেজে যায় ,আর এমন সময় তাদের পাড়ার সাহেদ বলে গফুর চাচা শুনছ না কি গতকাল কোন রিক্সাওয়ালা জানি রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে । তবে তার পরিচয় পাওয়া যায় নাই। লাশ কাটাঘরে পরে আছে বেওয়ারিশ হিসেবে। সাহেদের মুখে কথাটা শুনে গফুর মিয়ার কেন যেন জামাইয়ের মুখ ভেসে উঠে। গফুর মিয়া রিক্সা তার স্ত্রী যে বাড়িতে কাজ করে সেখানে ছুটে যায়। স্ত্রীকে সব খুলে বলে এবং দুজনে মিলে জেলা সদর হাসপাতালের লাস কাটাঘরে পরে থাকা মরদেহ দেখতে যায়। টেনশনে আতংকে ভিতরে ঢুকে মুখের উপর কাপড়ের ঢাকনা খুলেই চিৎকার করে কান্না করতে থাকে। হায় আল্লাহ এ যে তার মেয়ের জামাই রফিকের মরদেহ। কিভাবে কি হলো মেয়েকে কিভাবে এমন নিষ্ঠুর খবর দিবে? পুলিশের কাছে রক্তভেজা জামাকাপড় দেখে তারা আরও কান্নায় ভেঙে পরে। মুহূর্তের মধ্যে চারিদিকে জানাজানি হয়ে যায় রফিকের মৃত্যুর কথা।
হাসপাতালে লোকে লোকারন্য হয়ে উঠে। রুনাকে তার ভাই হাসপাতালে নিয়ে আসার পরে পরিবেশ আরও ভারী হয়ে উঠে। রুনাকে কেউ সান্তনা দিতে পারছে না। তিন সন্তান অবিরাম কেঁদেই চলছে। রুনার বিলাপ আর সন্তানদের কান্নায় সবার চোখে জল এসে গেছে। রক্তভেজা বাচ্চাদের লাল,নীল,হলুদ পোশাক বুকে জড়িয়ে রুনা বার বার মূর্ছা যাচ্ছে। যে মানুষটা গতকাল ভোরে বাড়ি থেকে সুস্থ ভাবে বের হলো আর আজ সে বেওয়ারিশ হিসিবে কাটাঘরে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। কতো জায়গায় তাকে খোঁজ করা হয়েছিল, অবশেষে আজ তার দেখা মিলল লাশ কাটাঘরে। এটাই বাস্তবতা এটাই জীবনের চরম সত্য। মানুষ মরণশীল এটা চিরন্তন সত্য জেনেও আমরা কষ্ট পাই। সড়ক দুর্ঘটনা একটা সামাজিক ব্যধিতে পরিণত হয়েছে। নিরাপদ সড়ক চাই, নিরাপদ জীবন চাই। রফিকের স্ত্রী সন্তানদের শোক সহ্য করার শক্তি দাও আল্লাহ। কারোর জীবনের পরিণতি যেন অবশেষে বেওয়ারিশ হতে না হয়——-






