এই যে ঋতুর রাণী
মুখটা কেন ভার?
কোথায় গেল মেঘের ভেলা?
কোথায় নীল আকাশ?
আজকে কেন আঁধারে আছো ঢেকে?
কেউ কি তোমায় দিয়েছে আজ বকে?
ভোর হতেই মনটা কেন খারাপ?
কোথায় আজ রবির কিরণ?
বইছে না কেন মিষ্টি সমীরণ?
নদীর জলে নেই কোনো শোরগোল
চারিদিকে থমথমে আর গরম।
কাশবনেও দেয়নি কেউ দোলা
শূন্য আজ শিউলি গাছতলা।
হটাৎ করেই মেঘে মেঘে
শুরু করলো ডাকাডাকি
গর্জন শুনে ভয়ে কাঁপে অন্তর
বিদ্যুতের চমকানি পরপর
এবার বুঝি সারাবেলায় করবে কান্নাকাটি
শিউলিতলায় ফুলগুলোও মাখবে গায়ে মাটি।
বরিষণে ভরে গেছে বাড়ির চারিপাশ
শোনো সবে ডোবায় ডাকে ব্যাঙ
সুর তুলে করছে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চুপটি করে থামাও বারিধারা
ঝরঝর বন্ধ করো কান্না করা।
যেই তুমি থামালে বৃষ্টি পাত
নীল আকাশে ভাসলো কতো
সাদা মেঘের ভেলা
রবির কিরণ করছে এখন খেলা।
কিন্তু আবার কি হলো
হটাৎ করেই আঁধার চারিপাশ
ঝমঝমিয়ে নামলো বারিধারা
দিন গড়িয়ে হয়ে গেলো রাত
তবুও তো থামছে না বৃষ্টিপাত
মেঘের আড়ালে লুকালো আজ চাঁদ।
বিঃদ্রঃ এই কবিতাটি মানিকগঞ্জের ‘সাপ্তাহিক কড়চা’ পত্রিকায় সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিলো…







