কেউ না জানুক আমি তো জানি
তোমার সাথে আমার নি:শব্দ কথা হয়
আরও কথা হবে সে তুমি চাও কি বা না চাও
যদিও দেখা হয় না আর হবেও না
তবুও অনুভবে ঠিক তোমকেই পেতে চাই।
আকাশে নক্ষত্র থাক বা না থাক
শুকতারাটা মেঘের আড়ালে মুখ লুকাক
চাঁদের মায়াবী আলোর বিচ্ছুরণ না হোক
তারপরও ঠিক তোমাকে দেখি,দেখতে চাই।
হাস্নাহেনার সৌরভ আমাকে আচ্ছন্ন করে না
বকুলের ঘ্রাণেও আমি মোহিত হই না
টবে লাগানো গোলাপের ঘ্রাণও
আমাকে মাতাল করতে পারে না
আমি যে তোমার গায়ের ঘ্রাণে বিভোর।
রাত যতো গভীর হয় আমাদের নি:শব্দ কথার
ফুলঝুরি ততোই বাড়তে থাকে
এখানে শ্রোতাও একজন বক্তাও একজন
তাই বলে নি:শব্দ কথারা কিন্ত থেমে থাকেনা
হাজারো কথায় রাতের পর রাত কাটে।
কেউ না জানুক আমাদের কথা চলছে,চলবে।
আমাদের এই নি:শব্দ আলাপনে সাক্ষী থাকে
অমানিশার ঘোর আঁধার, জোছনার প্লাবন
বৃষ্টির ছন্দময় প্রতিটি ফোঁটা, দখিনা মাতাল সমীরণ
সাক্ষী জানালার পাশে লাগানো বকুল গাছ।
কেউ জানেনা হাস্নাহেনার সৌরভও
লজ্জায় মুখ লুকোয় আমাদের এই আলাপনে
কেননা তার ঘ্রাণে যে আহ্লাদিত হইনা
আমার যে তোমার গায়ের ঘ্রাণই আগলে রাখে
এমন নি:শব্দ কথা যেনো না ফুরোয়
হৃদয়ে জমানো সব কথা নি:শব্দে
শুধু তোমাকেই বলতে চাই বারবার তোমাকেই চাই।






